• ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার ০৫ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Beldanga Violence

কলকাতা

বেলডাঙা মামলায় হঠাৎ বড় মোড়! ডিভিশন বেঞ্চ থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি

বেলডাঙা হিংসা মামলায় বড় পরিবর্তন ঘটল আদালতে। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ এই মামলা থেকে সরে দাঁড়িয়েছে। ফলে মামলাটি এখন প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের বেঞ্চে ফের পাঠানো হয়েছে।সূত্রের খবর, এনআইএ-র বিশেষ আদালতের একটি নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এনআইএ এই ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করেছিল। কিন্তু শুনানির সময় বিচারপতি জানান, এই মামলায় ইউএপিএ বা বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনের ধারা প্রযোজ্য হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার প্রধান বিচারপতির। তাই এই বেঞ্চে মামলার শুনানি এগোনো সম্ভব নয় বলে জানানো হয়।এই কারণেই মামলাটি ফের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে পাঠানো হয়েছে।বেলডাঙায় হিংসার ঘটনায় ১৫ জন অভিযুক্তকে আগেই জামিন দিয়েছিল এনআইএ-র বিশেষ আদালত। আদালতের বক্তব্য ছিল, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চার্জশিট দাখিল না হওয়ায় এই জামিন দেওয়া হয়েছে। সেই সিদ্ধান্তকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এনআইএ হাইকোর্টে যায়।ঘটনার পেছনে রয়েছে এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বেলডাঙায় তৈরি হওয়া উত্তেজনা। ওই মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়। রাস্তা অবরোধ, রেল অবরোধ এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে লাঠিচার্জ করতে হয় এবং একাধিক জায়গায় ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে।পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে পরে এই মামলার তদন্তভার রাজ্য পুলিশের কাছ থেকে নিয়ে এনআইএ-র হাতে তুলে দেওয়া হয়। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশেই শুরু হয় কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্ত।

এপ্রিল ২১, ২০২৬
রাজ্য

বেলডাঙা কাণ্ডে নতুন মোড়! জামিন নিয়ে হাই কোর্টে ছুটল এনআইএ

বেলডাঙা কাণ্ডে নতুন করে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ এবার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। আগে এনআইএ-র বিশেষ আদালত শর্তসাপেক্ষে ১৫ জন অভিযুক্তকে জামিন দিয়েছিল। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই উচ্চ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাদের অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মানা হয়নি এবং সেই কারণেই এই জামিন দেওয়া ঠিক হয়নি।আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চার্জশিট জমা দেওয়ার কথা থাকলেও, ৯০ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরেও এনআইএ চূড়ান্ত চার্জশিট জমা দিতে পারেনি। এমনকি তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কেও আদালতের প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেনি তারা। এই পরিস্থিতিতে অভিযুক্তদের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। এরপর ১০ হাজার টাকার বন্ডে ১৫ জনের জামিন মঞ্জুর করে বিশেষ আদালত। যদিও তাঁদের চলাফেরার উপর বেশ কিছু শর্ত আরোপ করা হয়েছে।হাই কোর্টে এনআইএ-র বক্তব্য, তদন্ত চলাকালীন এইভাবে জামিন দেওয়া উচিত হয়নি। আদালতে প্রশ্ন ওঠে, যখন সুপ্রিম কোর্ট এই মামলাটি হাই কোর্টে ফেরত পাঠিয়েছে, তখন কীভাবে নিম্ন আদালত জামিন মঞ্জুর করল। এই বিষয়টি নিয়ে বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিচারপতি অপূর্ব সিংহ রায়ের বেঞ্চে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আগামী শুনানিতে স্পষ্ট হবে, এই জামিন বহাল থাকবে নাকি হাই কোর্ট হস্তক্ষেপ করে নতুন নির্দেশ দেবে।উল্লেখযোগ্য, গত জানুয়ারি মাসে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল। অভিযোগ ছিল, ঝাড়খণ্ডে ওই শ্রমিককে খুন করা হয়। সেই ঘটনার প্রতিবাদে বেলডাঙায় রেল ও জাতীয় সড়ক অবরোধ করা হয় এবং ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। এমনকি সংবাদমাধ্যমের উপর হামলার অভিযোগও ওঠে। পরে রাজ্য পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে, যদিও এলাকায় উত্তেজনা বজায় ছিল।পরবর্তীতে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে এই ঘটনার তদন্তভার এনআইএ-র হাতে যায়। মোট ৩৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাঁদের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয় আদালত। এখন জামিনের প্রশ্নে নতুন করে এই মামলায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

চার্জশিট দিতে দেরি, বড় ফায়দা অভিযুক্তদের! বেলডাঙ্গা কাণ্ডে ১৫ জন জামিনে মুক্ত

বেলডাঙ্গা হিংসা মামলায় বড় সিদ্ধান্ত নিল বিশেষ আদালত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চার্জশিট জমা দিতে না পারায় ১৫ জন অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা নব্বই দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা করতে পারেনি বলেই আদালত এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।মোট পঁয়ত্রিশ জন ধৃতের মধ্যে পনেরো জনকে জামিন দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে জামিন পেলেও তাঁদের উপর একাধিক শর্ত আরোপ করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, অভিযুক্তরা কলকাতা পুরসভা এলাকার বাইরে যেতে পারবেন না। মামলার শুনানির দিন তাঁদের আদালতে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রত্যেককে দশ হাজার টাকার বন্ডে জামিন দেওয়া হয়েছে।চলতি বছরের শুরুতে ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিকের খুনের অভিযোগ ঘিরে মুর্শিদাবাদে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মৃতদেহ বাড়িতে ফিরতেই বেলডাঙ্গায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ক্ষুব্ধ মানুষ রাস্তায় নেমে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করেন। রেল ও সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। শিয়ালদহ-লালগোলা শাখার একটি অংশে দীর্ঘক্ষণ ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল।পুলিশ অবরোধ তুলতে গেলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয় যে ঘটনাস্থলে গিয়ে আক্রান্ত হন সংবাদকর্মীরাও। সেই সময় এলাকার জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি উঠেছিল। পরে আদালতের নির্দেশে কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হয়। মামলাটি উচ্চ আদালত হয়ে সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়ায়। শেষে তদন্তের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে যায় এবং তারা তদন্ত শুরু করে।এই অবস্থায় চার্জশিট জমা দিতে দেরি হওয়ায় অভিযুক্তদের জামিন মেলায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
দেশ

বেলডাঙা মামলায় রাজ্যকে বড় ধাক্কা! NIA তদন্তে সায় সুপ্রিম কোর্টের

বেলডাঙা হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। বেলডাঙার অশান্তির ঘটনায় NIA তদন্তে সায় দিল শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিল, এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে আলাদা করে হস্তক্ষেপ করা হবে না।এর আগে কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, বেলডাঙার পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করবে। পাশাপাশি কেন্দ্র যদি প্রয়োজন মনে করে, তবে NIA তদন্তও হতে পারে। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার। রাজ্যের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বুধবার সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের রায়ই বহাল রাখে এবং মামলাটি ফের হাইকোর্টে পাঠিয়ে দেয়।শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, UAPA-এর ১৫ নম্বর ধারা প্রয়োগ সঠিক হয়েছে কি না, সেই বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্ট খতিয়ে দেখবে। অর্থাৎ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া আপাতত হাইকোর্টের নজরেই চলবে।জানুয়ারি মাসের শুরুতে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ ওঠে, ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিককে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। মৃতদেহ জেলায় ফেরার পরই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করা হয়। শিয়ালদহ-লালগোলা শাখার মহেশপুর এলাকায় রেললাইনেও অবরোধ করা হয়। রেললাইনে বাঁশ ফেলে দেওয়া হয় এবং সেখানে মৃতদেহের ঝুলন্ত ছবি দেখা যায়। পুলিশ পৌঁছলে স্থানীয়দের সঙ্গে বচসা বাধে। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।ঘটনাস্থলে খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হন সাংবাদিকরাও। এই ঘটনায় সাংসদ ইউসুফ পাঠান কেন সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় যাননি, তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। তিন দিন পর তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে একজন মিম নেতা বলেও জানা গেছে।এই অশান্তি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেছিলেন, শুক্রবার জুম্মাবারের দিন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতি জড়িত থাকে। কেউ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে উস্কানি দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করেছে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।বেলডাঙায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি আগে থেকেই তুলেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হাইকোর্টে মামলা হলে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি NIA তদন্তের ক্ষেত্রে কেন্দ্রকে স্বাধীনতা দেওয়া হয়।সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের সেই নির্দেশে হস্তক্ষেপ না করায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যের আবেদন গ্রহণ করেনি এবং মামলাটি ফের হাইকোর্টে পাঠিয়েছে। তিনি দাবি করেন, রাজ্যের আবেদনে শীর্ষ আদালত গুরুত্ব দেয়নি।সব মিলিয়ে বেলডাঙা হিংসা মামলায় NIA তদন্তের পথে বড় বাধা সরল বলেই মনে করা হচ্ছে। এখন নজর থাকবে হাইকোর্টে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
রাজ্য

তদন্ত এনআইএ-র হাতে, মুর্শিদাবাদে পুলিশ সুপার বদল! নবান্নের বড় সিদ্ধান্ত

বেলডাঙার অশান্তির ঘটনার পর রাজ্য পুলিশের শীর্ষস্তরে বড়সড় রদবদল। শুক্রবার ওই ঘটনার তদন্তভার পায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। তার পরের দিনই বদল করা হয় মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপারকে। এর পর শনিবার নবান্ন থেকে একযোগে ২২ জন আইপিএস পদমর্যাদার আধিকারিকের বদলির নির্দেশ জারি করা হয়। শহর ও জেলার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে এই রদবদল ঘিরে প্রশাসনিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ধৃতিমান সরকারকে। কুমার সানি রাজকে পাঠানো হয়েছে রাজ্য পুলিশের বিশেষ শাখা এসএসআইবি-তে। ধৃতিমান সরকার এর আগে ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরের মতো জেলায় পুলিশ সুপার হিসেবে কাজ করেছেন।শুধু মুর্শিদাবাদ নয়, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটেও গুরুত্বপূর্ণ বদল হয়েছে। যুবভারতী কাণ্ডের পরে সাসপেন্ড হওয়া তৎকালীন ডিসি অনীশ সরকারের জায়গায় ডিসি পদে দায়িত্ব পেয়েছেন পুষ্পা। বনগাঁর পুলিশ সুপার দীনেশ কুমারকে করা হয়েছে ডিসি (উত্তর)। ডিসি (দক্ষিণ শহরতলি) বিদিশা কলিতাকে পাঠানো হয়েছে বনগাঁর পুলিশ সুপার হিসেবে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন চারু শর্মা। ডিসি (পূর্ব) পদে আনা হয়েছে জসপ্রীত সিংকে। ডিসি (পূর্ব শহরতলি) হয়েছেন অমিত বর্মা এবং ডিসি (দক্ষিণ) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দীপক সরকারকে।এছাড়াও বারাসতের পুলিশ সুপার প্রতীক্ষা ঝারখরিয়াকে দার্জিলিং জেলার পুলিশ সুপার করা হয়েছে। অমিত পি জাভালগিকে পাঠানো হয়েছে আইজি, বারাসত রেঞ্জে। অলোক রাজোরিয়া পেয়েছেন ডিআইজি, বর্ধমান রেঞ্জের দায়িত্ব। মুর্শিদাবাদের প্রাক্তন পুলিশ সুপার আরিশ বিলালকে পাঠানো হয়েছে এসএসআইবি-তে। প্রদীপ কুমার যাদবকে বদলি করে এসএসআইবি, উত্তরবঙ্গ সদর দফতরে পাঠানো হয়েছে।বেলডাঙা অশান্তির পর একের পর এক প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে স্পষ্ট, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না রাজ্য সরকার।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

অশান্ত বেলডাঙা নিয়ে আদালতের বড় বার্তা, প্রয়োজনে কেন্দ্র দেবে আরও বাহিনী

মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় অশান্তির ঘটনায় এবার কেন্দ্রীয় বাহিনী আরও সক্রিয়ভাবে মোতায়েন করার প্রয়োজন রয়েছে বলে প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাই কোর্টের। মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, বর্তমানে এলাকায় যে পাঁচ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে, জীবন ও জীবিকা রক্ষার স্বার্থে তাদের পুরোপুরি ব্যবহার করা হোক। আদালতের স্পষ্ট মন্তব্য, যদি বাহিনী পর্যাপ্ত না হয়, তা হলে রাজ্যের অনুরোধে কেন্দ্র আরও বাহিনী অনুমোদন করুক।বেলডাঙায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবিতে সোমবার কলকাতা হাই কোর্টে দুটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। মঙ্গলবার মামলাকারীর আইনজীবী আদালতে জানান, প্রতিবাদের নামে বেলডাঙায় ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়েছে। রেলের সম্পত্তি নষ্ট করা হয়েছে, সাংবাদিকদের মারধর করা হয়েছে এবং জাতীয় সড়ক অবরোধ করে তাণ্ডব চালানো হয়েছে। তাঁর দাবি, এই অশান্তি ছিল পূর্বপরিকল্পিত, যা পুলিশ সুপার নিজেই স্বীকার করেছেন। অথচ এরপরেও পরিস্থিতি সামলাতে রাজ্য যথাযথ পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ তোলা হয়।মামলাকারী আরও জানান, গত বছর জুলাই মাসে একই ধরনের পরিস্থিতিতে মুর্শিদাবাদে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। বর্তমানে সামসেরগঞ্জ ও ধুলিয়ানে বাহিনী থাকলেও, বেলডাঙায় সেই বাহিনী কার্যকরভাবে ব্যবহার করা হয়নি বলে অভিযোগ। তাঁর দাবি, বেলডাঙায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধারা অর্থাৎ ১৪৪ ধারা জারি করা হোক। পাশাপাশি দেশের শান্তি নষ্ট করার জন্য বাইরে থেকে কোনও অর্থ আসছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে এনআইএ তদন্তেরও আবেদন জানানো হয়।এই অভিযোগের জবাবে রাজ্যের তরফে আইনজীবী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে জানান, এর আগেও মুর্শিদাবাদের ঘটনায় ৫০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এবং ঘরছাড়াদের নিরাপদে ঘরে ফেরানো হয়েছে। বিচারপতিরা তখন জানতে চান, বর্তমানে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রাজ্যের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রশাসনিক স্তরে সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং পুলিশ খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।এরপর রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, শুক্রবার ঝাড়খণ্ডে আলাউদ্দিনের মৃত্যুর খবর ছড়ানোর পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। দুপুর ১২টা ১৫ মিনিট নাগাদ এক সাংবাদিককে মারধর করা হয়। এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এখনও পর্যন্ত ৩১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং চারটি মামলা দায়ের হয়েছে। এলাকায় পাঁচ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে এবং তারা নিয়মিত টহল দিচ্ছে বলেও দাবি করে রাজ্য।রাজ্যের তরফে আদালতকে জানানো হয়, বর্তমানে বেলডাঙার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং বাজারও খুলেছে। এই প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করেন, যেহেতু কেন্দ্রীয় বাহিনী ইতিমধ্যেই এলাকায় রয়েছে, তাই জীবন ও জীবিকা রক্ষার জন্য তাদের পুরোপুরি ব্যবহার করা হোক। প্রয়োজনে আরও বাহিনী চাইলে কেন্দ্র অনুমোদন দেবে।বিচারপতি পার্থসারথি সেন রাজ্যের উদ্দেশে বলেন, মামলাকারীর অভিযোগ অনুযায়ী রাজ্য প্রথম দিকে পরিস্থিতি সামলাতে ব্যর্থ হয়েছিল। সেই অভিযোগের জবাবে রাজ্যের আইনজীবী জানান, এ ধরনের অভিযোগ নতুন নয়। তাঁর বক্তব্য, মামলাকারী চান সব জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও বিএসএফ নামানো হোক। তবে রাজ্য ঘটনার দিন থেকেই এবং তার পরেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে।

জানুয়ারি ২০, ২০২৬
রাজ্য

বেলডাঙা কাণ্ডে ফের গ্রেপ্তার! সিসিটিভি-ভিডিও দেখে আরও ৫ জনকে তুলল পুলিশ

ঝাড়খণ্ডে এক শ্রমিকের রহস্যমৃত্যুকে ঘিরে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় যে ব্যাপক অশান্তি ছড়িয়েছিল, সেই ঘটনায় আরও পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিও এবং এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেই এই পাঁচ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর ফলে এই ঘটনায় মোট গ্রেপ্তারির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩৬-এ।গত শুক্রবার ঝাড়খণ্ডে বেলডাঙার এক সংখ্যালঘু যুবকের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই উত্তেজনা ছড়ায় মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা এলাকায়। ক্ষুব্ধ জনতা রাস্তায় নেমে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে, ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেয়। একাধিক জায়গায় ভাঙচুর চলে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় প্রশাসনকে। শুক্রবারের পর শনিবারও এলাকা কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। জাতীয় সড়ক ও রেললাইন অবরোধের পাশাপাশি সাংবাদিকদের উপর হামলার অভিযোগও ওঠে।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নামেন মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজ। তিনি জানিয়েছিলেন, সিসিটিভি ও ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করা হবে, তারা যেখানেই থাকুক না কেন। সেই ঘোষণার পরই একে একে শুরু হয় গ্রেপ্তারি। ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার হয়েছেন মিম নেতা তথা বেলডাঙা ১ ব্লকের সভাপতি মতিউর রহমান সহ একাধিক ব্যক্তি।এই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে কলকাতা হাই কোর্টে দুটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এরই মধ্যে পুলিশ আরও পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতদের নাম নূর আলম, রবিউল ইসলাম, নূর আলম মোল্লা, লাদিম শেখ এবং তুফাইল শেখ। পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজ জানিয়েছেন, সিসিটিভি ফুটেজ ও সোশাল মিডিয়ার তথ্যের ভিত্তিতে তাঁদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে ধৃতদের বহরমপুর আদালতে তোলা হবে।

জানুয়ারি ২০, ২০২৬
রাজ্য

বিক্ষোভে ঘেরা বিধায়ক! জেড প্লাস নিরাপত্তা চেয়ে হাইকোর্টে হুমায়ুন

বেলডাঙার অশান্ত ঘটনার পর এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। নিজের জন্য জেড প্লাস নিরাপত্তার দাবি জানিয়ে তিনি আদালতে মামলা করেন। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকার তাঁকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। প্রাণনাশের আশঙ্কা রয়েছে বলেও আদালতে জানিয়েছেন তিনি।সোমবার বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। শুনানির পর বিচারপতি হুমায়ুন কবীরকে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে আবেদন জানাতে বলেন। আদালত জানায়, নিরাপত্তার প্রয়োজন কতটা, তা নির্ধারণ করার দায়িত্ব প্রশাসনের। সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।সম্প্রতি ভিনরাজ্যে এক বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। গত শনিবার সেই বিক্ষোভস্থলে যান হুমায়ুন কবীর। কিন্তু সেখানে গিয়ে তিনিই বিক্ষোভের মুখে পড়েন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে কোনওক্রমে এলাকা ছাড়তে হয় তাঁকে।এর আগেও ব্রিগেড পরিদর্শনে গিয়ে একই অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন হুমায়ুন। সেই সময় তৃণমূল কর্মীরা তাঁকে ঘিরে গো ব্যাক স্লোগান দিতে থাকেন। এই একের পর এক ঘটনার কথা উল্লেখ করেই তিনি আদালতে নিরাপত্তার আবেদন করেছিলেন।আদালতে হুমায়ুন কবীর আবেদন জানান, অন্তত কিছু দিনের জন্য হলেও যেন তাঁকে নিরাপত্তা দেওয়া হয়। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ বলেন, নিরাপত্তা দেওয়ার আগে হুমকির মাত্রা বিচার করতে হবে। সেই মূল্যায়নের পরই সিদ্ধান্ত নেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। তাই আদালত থেকে সরাসরি নিরাপত্তার নির্দেশ দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানান তিনি।হুমায়ুন কবীরের আইনজীবী অনুরোধ করেন, যতদিন না স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক আবেদন গ্রহণ করছে, ততদিন অন্তর্বর্তীকালীন নিরাপত্তা দেওয়া হোক। তবে সেই আর্জি গ্রহণ করেনি আদালত।এদিকে নতুন দল গঠনের পর ব্রিগেডে সভা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন হুমায়ুন কবীর। সেই জন্য অনুমতিও চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই অনুমতি মেলেনি বলে তিনি দাবি করেছেন। এখন তিনি জানিয়েছেন, মুর্শিদাবাদেই তাঁর সভা অনুষ্ঠিত হবে।

জানুয়ারি ১৯, ২০২৬
রাজ্য

বেলডাঙার আগুন পৌঁছল হাইকোর্টে! কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত আসছে

মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় অশান্তির ঘটনায় এবার বিষয়টি গড়াল কলকাতা হাইকোর্টে। বেলডাঙার অশান্তিপ্রবণ এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবিতে জনস্বার্থ মামলা দায়েরের আবেদন জানানো হয়েছে। সেই আবেদন গ্রহণ করে মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। আজই যদি মামলা দায়ের করা হয়, তবে মঙ্গলবার এই মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এর আগেই বেলডাঙার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়ে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই আবেদনের রেশ কাটতে না কাটতেই বিষয়টি এবার আদালতের বিচারাধীন হল।গত শুক্রবার থেকে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মুর্শিদাবাদ জেলা। সূত্রপাত হয় ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে। অভিযোগ, ওই শ্রমিককে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল। শুক্রবার সকালে মৃতদেহ জেলায় ফিরতেই বেলডাঙায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষুব্ধ জনতা রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ শুরু করে। অবরোধ করা হয় রেললাইনও।শিয়ালদহ-লালগোলা শাখার মহেশপুর সংলগ্ন এলাকায় রেললাইনের উপর বাঁশ ফেলে বিক্ষোভ দেখানো হয়। সেই বাঁশে ঝোলানো ছিল মৃত শ্রমিকের ঝুলন্ত অবস্থার ছবি। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে পুলিশের বচসা শুরু হয়। সেই বচসা দ্রুতই উত্তেজনায় রূপ নেয়।ঘটনাস্থলে খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হন গণমাধ্যমকর্মীরাও। সাংবাদিকদের উপর হামলার অভিযোগ ওঠে। এই পরিস্থিতিতে এলাকায় না যাওয়ায় সাংসদ ইউসুফ পাঠানের ভূমিকা নিয়েও একাধিক প্রশ্ন ওঠে। ঘটনার তিন দিন পর তিনি এলাকায় গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন।এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট ৩০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে একজন মিম দলের নেতা বলেও জানা গেছে। হায়দরাবাদ ভিত্তিক সংখ্যালঘুদের এই রাজনৈতিক দলের নাম উঠে আসায় রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বেড়েছে।এই অশান্ত পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি নতুন নয়। আগেই শুভেন্দু অধিকারী সেই দাবি জানিয়েছিলেন। এবার সেই দাবি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়া হল। শেষ পর্যন্ত বেলডাঙায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত এখন আদালতের হাতেই।

জানুয়ারি ১৯, ২০২৬
রাজ্য

বেলডাঙা হিংসার পরে মৃতের বাড়িতে সাংসদ, দেরি না দায়িত্ব— বিতর্ক তুঙ্গে

অশান্ত বেলডাঙায় এখনও থমথমে পরিস্থিতি। দুদিনের হিংসার পর এলাকাজুড়ে টহল দিচ্ছে পুলিশ। আজও চলছে রুটমার্চ। এই পরিস্থিতির মধ্যেই বিরোধীদের একটাই প্রশ্ন ছিল, এত বড় ঘটনার পরেও কোথায় ছিলেন বহরমপুরের সাংসদ ইউসুফ পাঠান? কেন তাঁকে এলাকায় দেখা যাচ্ছিল না? এই প্রশ্ন ঘিরে শুরু হয় রাজনৈতিক চাপানউতোর।সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বেলডাঙায় দেখা গেল ইউসুফ পাঠানকে। তিনি যান নিহত পরিযায়ী শ্রমিক আলাউদ্দিন শেখের বাড়িতে। সেখানে গিয়ে আলাউদ্দিনের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন সাংসদ। তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাসও দেন তিনি।এর একদিন আগেই বহরমপুরে রোড শো করেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই তিনি জানান, ইউসুফ পাঠান এলাকায়ই ছিলেন এবং বেলডাঙায় যেতে চেয়েছিলেন। অভিষেক বলেন, তাঁর র্যালি ও বৈঠক শেষ হলে সাংসদ, বিধায়করা একসঙ্গে নিহতের পরিবারের পাশে দাঁড়াবেন। পাশাপাশি প্রশাসনের তরফে আর্থিক সাহায্য ও মৃতের স্ত্রীকে চাকরি দেওয়ার বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।এই ঘোষণার পরেই বেলডাঙায় ইউসুফের উপস্থিতি ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, আলাউদ্দিনের পরিবারের সঙ্গে কথা বলার সময় ইউসুফও আর্থিক সাহায্য ও চাকরির বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বেলডাঙার বিধায়কও।পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ইউসুফ পাঠান বলেন, এই ধরনের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি বলেন, পরিযায়ী শ্রমিকরা শুধু নিজের জন্য কাজ করেন না, যে রাজ্যে কাজ করেন সেই রাজ্যের উন্নয়নেও তাঁদের বড় ভূমিকা থাকে। তাই এই ধরনের ঘটনা হওয়া কখনওই কাম্য নয়।তবে দেরিতে এলাকায় আসা নিয়ে বিরোধীদের অভিযোগ মানতে নারাজ সাংসদ। তাঁর দাবি, তিনি এলাকাতেই ছিলেন এবং জনপ্রতিনিধিরা মাঠে নেমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার কাজ করছিলেন। তাঁর কথায়, তাঁরা সব সময় মানুষের পাশেই আছেন।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

দু’দিন ধরে জ্বলছে বেলডাঙা, অবশেষে লাঠিচার্জ—পুলিশ এতক্ষণ কোথায় ছিল?

টানা দুদিন ধরে অশান্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ, জাতীয় সম্পত্তি ভাঙচুর, রেল অবরোধসব মিলিয়ে পরিস্থিতি কার্যত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছিল, পুলিশ কোথায়? সাংবাদিকদের মারধর করা হয়েছে, রেলগেট ভেঙে দেওয়া হয়েছে, দোকানপাট বন্ধ হয়ে গিয়েছে, ট্রেন চলাচল স্তব্ধতবু পুলিশের কোনও দৃশ্যমান তৎপরতা দেখা যায়নি বলে অভিযোগ উঠছিল বারবার।অবশেষে প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর সেই নীরবতা ভাঙল। জেলা পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী নামল রাস্তায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে করা হল লাঠিচার্জ। বিক্ষোভকারীদের হঠাতে পুলিশ কড়া পদক্ষেপ নেয়। এই ঘটনায় নতুন করে প্রশ্ন উঠছে, এত দেরিতে কেন পুলিশের অ্যাকশন?এই প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, পুলিশ আগেও এলাকায় ছিল। তবে হঠাৎ করে লাঠিচার্জ করা যায় না। প্রথমে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু পরিস্থিতি যখন আর নিয়ন্ত্রণে আসছিল না, তখন বাধ্য হয়ে লাঠিচার্জ করতে হয়েছে। তাঁর দাবি, বিক্ষোভকারীরা পাথর ছোড়া শুরু করায় পুলিশ কড়া ব্যবস্থা নেয়। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। যাঁরা লুকিয়ে রয়েছেন, তাঁদেরও শনাক্ত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।বেলা বাড়লেও এখনও রেল চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। বহু দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। স্টেশন চত্বরে টহল দিচ্ছে আরপিএফ। কয়েকজন দোকানদারের অভিযোগ, আন্দোলনকারীরা দোকানে লুটপাটের চেষ্টা করেছে। যদিও পুলিশ সুপার আশ্বাস দিয়েছেন, পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বাভাবিক এবং পুলিশ পুরোপুরি নজরদারিতে রয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

উইপোকা ধরা টাকার পর বড় পদক্ষেপ! সুরেন্দ্রনাথ কলেজ কাণ্ডে গ্রেপ্তার পরিতোষ দত্ত

সুরেন্দ্রনাথ কলেজে উদ্ধার হওয়া টাকার বান্ডিল এবং বিতর্কিত কক্ষকে ঘিরে তদন্তে বড় পদক্ষেপ করল পুলিশ। এই ঘটনায় দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত পরিতোষ দত্তকে গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশের গুন্ডা দমন শাখা। বর্ধমান থেকে তাঁকে আটক করে কলকাতায় আনা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।ঘটনার জেরে নড়েচড়ে বসেছে উচ্চশিক্ষা দফতরও। কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। কীভাবে কলেজের ইউনিয়ন কক্ষের আলমারি থেকে ব্যাগভর্তি টাকা উদ্ধার হল, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারীরা।গত মঙ্গলবার কলেজের ইউনিয়ন কক্ষ থেকে উইপোকা ধরা টাকার বান্ডিল উদ্ধার হওয়ার পর ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। এরপর তদন্তে উঠে আসে আরও একাধিক তথ্য। কলেজের পাঁচতলায় তথাকথিত অতিথি কক্ষ হিসেবে ব্যবহার করা কয়েকটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘর নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সেখানে বিছানা, গদি, বালিশ, আলমারি এবং আরও কিছু সামগ্রী পাওয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ।দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ওই ঘরগুলি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা হত। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে তাঁর পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। কলেজের একটি কক্ষে কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সংশ্লিষ্টদের ছবিও দেখা গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এদিকে উচ্চশিক্ষা দফতর জানতে চেয়েছে, ছাত্র সংগঠনের মাধ্যমে সংগ্রহ করা অর্থ কোন খাতে ব্যয় হয়েছে। কলেজের ভিতরে ওই কক্ষগুলি তৈরির অনুমতি ছিল কি না, কারা সেগুলি ব্যবহার করতেন এবং কীভাবে এত টাকা কলেজে এল, তারও বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন এমন ব্যক্তিদের নাম-সহ একটি তালিকাও জমা দিতে বলা হয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষকে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং শিক্ষা দফতর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে।প্রায় একশো চল্লিশ বছরের পুরনো এই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম জড়িয়ে এমন ঘটনা সামনে আসায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে। দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ থেকে সাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এবং বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এই কলেজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেই কলেজে এমন ঘটনা কীভাবে ঘটল, তা নিয়েই এখন জোর আলোচনা চলছে।কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমস্ত অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করা হবে।

জুন ০৪, ২০২৬
দেশ

ভোরের ঘুম ভাঙল আগুনে! হাসপাতালের আইসিইউতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, মৃত অন্তত ৪

দিল্লির একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বিহারের একটি হাসপাতালে আগুন লেগে মৃত্যু হল অন্তত চার জনের। ভয়াবহ এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। তাঁদের মধ্যে অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার ভোর প্রায় চারটে নাগাদ মুজফ্ফরপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে আচমকা আগুন লাগে। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন এবং ঘন কালো ধোঁয়া পুরো এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। হাসপাতালের ভিতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে রোগী, চিকিৎসক এবং কর্মীদের মধ্যে।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ এবং দমকলের একাধিক ইঞ্জিন। শুরু হয় উদ্ধার অভিযান। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, হাসপাতালের ছতলায় থাকা নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র থেকেই আগুনের সূত্রপাত। ধোঁয়ায় ভরে যায় পুরো তলা। দমকলকর্মীরা দ্রুত অভিযান চালিয়ে প্রায় পনেরো থেকে কুড়ি জন রোগীকে নিরাপদে উদ্ধার করেন।তবে সব রোগীকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্তত চার জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের অনেকেই গুরুতর অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় অন্য হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাঁদের কয়েকজনের অবস্থা সংকটজনক হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, শর্ট সার্কিট থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে সঠিক কারণ জানতে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হবে।মুজফ্ফরপুর দমকল বিভাগের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, আগুন লাগার পর দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়। বহু রোগীকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র থেকে বের করে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে ধোঁয়া এবং আগুনের তীব্রতার কারণে কয়েকজনকে আর বাঁচানো যায়নি।এই মর্মান্তিক ঘটনার পর হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কীভাবে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে আগুন লাগল এবং সেখানে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা কতটা কার্যকর ছিল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।

জুন ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর সঙ্গে গোপন বৈঠক কর্ণ আদানির! বাংলায় আসছে কি হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ?

রাজ্যের শিল্প ও পরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং শিল্পপতি গৌতম আদানির পুত্র কর্ণ আদানি। বুধবার নবান্নে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে দুজনের মধ্যে আলোচনা হয়। এই বৈঠক ঘিরে রাজ্যের শিল্পমহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, সৌজন্য সাক্ষাতের আড়ালেই শিল্প, কর্মসংস্থান এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আদানি গোষ্ঠী রাজ্যে নতুন বিদ্যুৎ প্রকল্প, বন্দর, লজিস্টিক কেন্দ্র, রাস্তা নির্মাণ এবং তথ্যভাণ্ডার কেন্দ্র গড়ে তোলার বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।রাজ্য সরকার শুরু থেকেই শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছে। সেই লক্ষ্যেই বড় শিল্পগোষ্ঠীগুলিকে রাজ্যে বিনিয়োগের জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। বৈঠকে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের দাবি।জানা গিয়েছে, রাজ্যে বৃহৎ লজিস্টিক কেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে আদানি গোষ্ঠীর। পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন, বন্দর উন্নয়ন এবং আধুনিক পরিকাঠামো নির্মাণের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও এদিন কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে ভবিষ্যতে আরও একাধিক দফায় বৈঠক হতে পারে বলে খবর।আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে বাংলার সম্পর্ক নতুন নয়। অতীতেও রাজ্যের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তবে নতুন সরকারের আমলে এই বৈঠককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন শিল্পমহলের একাংশ। তাঁদের মতে, এই আলোচনা সফল হলে রাজ্যে বড় বিনিয়োগের পথ খুলতে পারে এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।এখন নজর পরবর্তী বৈঠকের দিকে। শিল্প ও পরিকাঠামো ক্ষেত্রে আদানি গোষ্ঠী শেষ পর্যন্ত কী ধরনের বিনিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করে, সেটাই দেখার।

জুন ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মমতার মন্তব্য ঘিরে বড় বিতর্ক! সাইবার থানায় নতুন অভিযোগ, চাঞ্চল্য রাজ্যজুড়ে

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ফের সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ায় নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। অভিযোগ দায়ের করেছেন আইনজীবী রিঙ্কি সিং চট্টোপাধ্যায়। গত দুই জুন ধর্মতলায় ধর্না কর্মসূচির মঞ্চ থেকে বাংলাদেশের নাগরিক ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই এই অভিযোগ করা হয়েছে। এর আগেও গত সপ্তাহে একই বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন ওই আইনজীবী।অভিযোগকারীর দাবি, প্রকাশ্য সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী এমন কিছু মন্তব্য করেছেন যা দেশের নিরাপত্তা এবং প্রশাসনিক গোপনীয়তা সংক্রান্ত প্রশ্ন তুলে দিতে পারে। বিশেষ করে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে ঘিরে করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই আপত্তি জানানো হয়েছে।আইনজীবী রিঙ্কি সিং চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে ওসমান হাদি নামে এক ব্যক্তির খুনের ঘটনা ঘটে। পরে অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজন মেঘালয় সীমান্ত পেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকেছিল বলে অভিযোগ। রাজ্যের বিশেষ টাস্ক ফোর্স তাদের গ্রেপ্তার করে। দুই জুন ধর্মতলার সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী ওই ঘটনার প্রসঙ্গ তোলেন এবং ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ। সেই কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।ধর্নামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, বাংলাদেশ থেকে আসা এক অভিযুক্তকে রাজ্যের বিশেষ টাস্ক ফোর্স গ্রেপ্তার করেছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে প্রতিবাদও হয়েছিল। তিনি আরও দাবি করেন, অভিযুক্তরা মেঘালয় হয়ে পশ্চিমবঙ্গে এসেছিল এবং পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বক্তব্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের প্রসঙ্গও উঠে আসে।অভিযোগপত্রে একাধিক ধারার উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে বিদ্বেষ ছড়ানো, উত্তেজনা সৃষ্টি, জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা এবং ভয় প্রদর্শনের মতো বিষয় উঠে এসেছে। যদিও অভিযোগের সত্যতা বা আইনি ভিত্তি নিয়ে এখনও প্রশাসনের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে তদন্তকারী সংস্থা কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের।

জুন ০৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

পাপিয়ার ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই টালিগঞ্জে বিস্ফোরণ! ইট-ডিমের লড়াইয়ে রণক্ষেত্র স্টুডিওপাড়া

টলিপাড়ার সাংগঠনিক কাঠামোয় বড় পরিবর্তনের ঘোষণার মাত্র একদিনের মধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল টেকনিশিয়ান্স স্টুডিও চত্বর। বৃহস্পতিবার সকালে বৈঠককে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে ইট, পাটকেল এবং ডিম ছোড়াছুড়ি শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ।বুধবার বিজেপি বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী টেকনিশিয়ান্স স্টুডিও প্রাঙ্গণ থেকে দীর্ঘদিনের ফেডারেশন ভেঙে নতুন সংগঠন গঠনের ঘোষণা করেন। তিনি জানান, পুরনো কাঠামোর পরিবর্তে নতুন কনফেডারেশন তৈরি করা হবে এবং সংগঠনের কাঠামোয় বড়সড় পরিবর্তন আনা হবে। একই সঙ্গে টলিউডে যোগ্য ও বৈধ কর্মীদের কাজের সুযোগ নিশ্চিত করার কথাও বলেন তিনি। অবৈধভাবে বা নিয়ম না মেনে কাজ পাওয়া ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া শুরু হবে বলেও জানান।এই ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার সকালে স্টুডিও প্রাঙ্গণে একটি বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। অভিযোগ, বৈঠক শুরু হওয়ার আগেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠায় স্টুডিওর ভিতরে বৈঠক করা সম্ভব হয়নি। পরে কাছাকাছি একটি মাঠে জটলা তৈরি হয় এবং সেখানেই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বচসা শুরু হয়।এক পক্ষের অভিযোগ, সংগঠনের পদ এবং প্রভাব ধরে রাখার জন্য কিছু নেতা বহিরাগতদের নিয়ে এসে অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছেন। অন্যদিকে পাল্টা স্লোগান তুলে প্রতিবাদ জানায় অপর পক্ষ। অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। দুই পক্ষ একে অপরকে লক্ষ্য করে ইট, পাটকেল এবং ডিম ছুড়তে শুরু করে।ঘটনায় স্টুডিওপাড়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে রিজেন্ট পার্ক থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের জেরে কিছুক্ষণ কাজকর্মও ব্যাহত হয় বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর টেকনিশিয়ানদের একাংশ বিদায়ী নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁদের দাবি, সংগঠনের আর্থিক বিষয় এবং সম্পত্তি সংক্রান্ত নানা প্রশ্নের উত্তর দেওয়া উচিত। পাশাপাশি টলিপাড়ার চলমান অস্থিরতা দূর করতে রাজ্য সরকারের হস্তক্ষেপের দাবিও তুলেছেন অনেকেই।নতুন সংগঠন গঠনের ঘোষণার পরই যে ভাবে টালিগঞ্জে উত্তেজনা ছড়িয়েছে, তাতে আগামী দিনে টলিপাড়ার সাংগঠনিক লড়াই আরও তীব্র হতে পারে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

জুন ০৪, ২০২৬
রাজ্য

এনআইএ হানার আগেই উধাও শওকত! ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলায় তোলপাড় দক্ষিণ ২৪ পরগনা

কোথায় শওকত মোল্লা? এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে ভাঙড় ও ক্যানিংয়ের রাজনৈতিক মহলে। ভাঙড়ের বামুনিয়া বিস্ফোরণ মামলার তদন্তে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লার বাড়ি, দলীয় কার্যালয় এবং একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। তবে দীর্ঘ সময় ধরে অভিযান চললেও শওকতের খোঁজ মেলেনি।তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে এনআইএ-র একাধিক দল ভাঙড় ও সংলগ্ন এলাকায় অভিযান শুরু করে। শওকত মোল্লার বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে না পাওয়ায় তদন্তকারীদের বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অভিযানের খবর পাওয়ার আগেই তিনি এলাকা ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন।এদিকে, তল্লাশি চলাকালীন শওকত মোল্লার ছেলে ইমরান মোল্লাকে আটক করা হয়েছে বলে খবর। তদন্তকারীরা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। শুধু বাড়িতেই নয়, ইমরানের মালিকানাধীন ক্যাফে অরণ্যের কূলে-তেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। ওই ক্যাফে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই নানা বিতর্ক রয়েছে। অভিযোগ, নদীর জমি ভরাট করে সেখানে নির্মাণ করা হয়েছে এই ক্যাফে।ভাঙড়ের বামুনিয়া এলাকায় বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছিল। আহত হয়েছিলেন আরও কয়েকজন। সেই মামলার তদন্তেই সম্প্রতি গতি এনেছে এনআইএ। কয়েকদিন আগে এই মামলায় তৃণমূল নেতা আহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপরই তদন্তের পরিধি আরও বাড়ানো হয়েছে।বৃহস্পতিবার বামুনিয়া এলাকার একাধিক বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছে এনআইএ। পাশাপাশি ধৃত আহিদুল ইসলামের বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়েছে। তদন্তকারীরা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি ও তথ্য সংগ্রহ করেছেন বলে সূত্রের দাবি।অন্যদিকে, শওকত মোল্লার খোঁজে তাঁর ভাই আবু জাফরের বাড়িতেও এনআইএ-র একটি দল পৌঁছেছে বলে জানা গিয়েছে। প্রাক্তন বিধায়কের অনুপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে। তিনি কি তদন্ত এড়াতেই আড়ালে রয়েছেন, নাকি অন্য কোনও কারণে এলাকায় নেইসেই প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি।

জুন ০৪, ২০২৬
কলকাতা

গ্রেপ্তারের আশঙ্কা? থানায় ডাকার পরই আচমকা অসুস্থ প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস

মেসি ইভেন্ট বিতর্কে নতুন মোড়। বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজিরা দেওয়ার কথা থাকলেও অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে সময় চাইলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। পুলিশ সূত্রে খবর, তিনি আগামী দুসপ্তাহ সময় চেয়েছেন। এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মেসি ইভেন্টের অন্যতম উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত।গত সতেরো মে অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন শতদ্রু দত্ত। অভিযোগে টিকিট কালোবাজারি, প্রতারণা, ভয় দেখানো এবং অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গাফিলতির মতো একাধিক বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, মেসির অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে প্রায় বাইশ হাজার টিকিট কালোবাজারি করা হয়েছিল। পাশাপাশি প্রভাব খাটিয়ে অরূপ বিশ্বাস মেসির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।এই অভিযোগের ভিত্তিতে অরূপ বিশ্বাসকে চার জুন থানায় হাজিরার নির্দেশ দেয় পুলিশ। তবে তার আগের রাতেই তিনি থানার সঙ্গে যোগাযোগ করে জানান, তিনি অসুস্থ এবং এই মুহূর্তে হাজিরা দিতে পারবেন না। সূত্রের খবর, অন্তত দুসপ্তাহ সময় চেয়েছেন তিনি। পরে নিজের অবস্থান জানাবেন বলেও জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, এই মামলায় গ্রেপ্তারি এড়াতে বারাসত আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন অরূপ বিশ্বাস। তবে আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। ফলে বর্তমানে তাঁর হাতে কোনও আইনি সুরক্ষা নেই বলে মনে করছেন আইনজীবীদের একাংশ। তদন্তের প্রয়োজন হলে পুলিশ যে কোনও সময় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে পারে।অন্যদিকে অরূপের অসুস্থতার খবর সামনে আসতেই তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন শতদ্রু দত্ত। সমাজমাধ্যমে তিনি লেখেন, সমন পাওয়ার পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়া অনেক প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। তাঁর দাবি, চিকিৎসার নথি দেখিয়ে সময় পাওয়া যেতে পারে, কিন্তু আইনি প্রক্রিয়া এড়ানো যায় না। এতদিন সব স্বাভাবিক ছিল, অথচ সমন আসার পরই অসুস্থতার খবর সামনে এল বলে কটাক্ষ করেন তিনি।মেসি ইভেন্ট ঘিরে এই বিতর্কে রাজনৈতিক মহলও নজর রাখছে। এখন দেখার, অরূপ বিশ্বাস কবে তদন্তকারীদের সামনে হাজির হন এবং তদন্ত কোন দিকে এগোয়।

জুন ০৪, ২০২৬
রাজ্য

পুলিশ যেতেই খাটের তলায় লুকিয়ে তৃণমূল নেতা! কাটমানি মামলায় গ্রেপ্তার হতেই বিক্ষোভ

আবাস যোজনার উপভোক্তাদের কাছ থেকে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে অবশেষে গ্রেপ্তার হলেন মাথাভাঙার জোরপাটকি এলাকার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা শহিদুল মিঞা। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি পলাতক ছিলেন। বুধবার বিকেলে তাঁর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে খাটের তলা থেকে তাঁকে উদ্ধার করে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অভিযুক্তকে বাড়ি থেকে বের করার সময় ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখেও পড়তে হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শহিদুল মিঞার স্ত্রী জোরপাটকি গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য। অন্যদিকে শহিদুল নিজেও মাথাভাঙা থানার সিভিক ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করতেন। এলাকায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাব থাকায় তিনি নিজেকে তৃণমূল নেতা হিসেবেই পরিচয় দিতেন বলে অভিযোগ।গ্রামবাসীদের অভিযোগ, আবাস যোজনার সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে উপভোক্তাদের কাছ থেকে পাঁচ হাজার, দশ হাজার থেকে শুরু করে কুড়ি হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসার পর গত পঁচিশ মে এলাকাবাসীরা তাঁর গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখান। তারপর থেকেই তিনি আত্মগোপন করে ছিলেন বলে দাবি স্থানীয়দের।কাটমানির অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই তাঁকে সিভিক ভলান্টিয়ারের দায়িত্ব থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এরপর তাঁর খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। কিন্তু এতদিন তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।পুলিশ সূত্রে খবর, বুধবার গোপনে নিজের বাড়িতে ফিরেছিলেন শহিদুল। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ পৌঁছনোর খবর পেয়েই তিনি বাড়ির খাটের তলায় লুকিয়ে পড়েন। পরে পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে বের করে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।অভিযুক্তকে নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ দেখিয়ে দাবি করেন, যাঁদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে, তাঁদের সমস্ত টাকা দ্রুত ফেরত দিতে হবে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

জুন ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal